আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি–সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি বলেন, কলেজটির বিদেশি শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাচ্ছেন না।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের দ্বিতীয় অধিবেশনের ১৫তম কার্যদিবসে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, সরকার স্বাস্থ্য ও শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বললেও বাস্তবে কিছু সিদ্ধান্ত সেই অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি দাবি করেন, ৭০০ শয্যার আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে, যেখানে ১৮০টি শয্যায় বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হতো। এ ছাড়া প্রতিদিন গড়ে ২৩টি স্বাভাবিক প্রসব করানো এবং অসংখ্য রোগী ও স্বজনদের বিনা মূল্যে খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
হাসপাতালটি বন্ধের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ছয় শিশুর মৃত্যু নিঃসন্দেহে দুঃখজনক। তবে একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন রাখেন, হামে শত শত শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগের বিষয়টি কখনো বিবেচনা করেছেন কি না।
আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ডিগ্রি–সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে সেখানে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় আড়াই শ বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন। এসব শিক্ষার্থী বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেও সমস্যার সমাধান পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংসদ সদস্যের ভাষ্য, বিদেশি শিক্ষার্থীরা সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কিংবা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগও পাচ্ছেন না। এতে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, সমস্যাটির দ্রুত সমাধান করে শিক্ষার্থীদের অনিশ্চয়তা দূর করা প্রয়োজন।






