পিপলস নিউজ রিপোর্ট: শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) ডিবেটিং ফোরামের ২০২৬ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন শেবাচিমের ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আসফি অর রায়হান এবং জেনারেল সেক্রেটারি পদে নির্বাচিত হয়েছেন একই ব্যাচের শিক্ষার্থী শিহাব উজ-জামান।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ফিজিওলজি বিভাগে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সদস্যদের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে আগামী বছরের জন্য সভাপতি ও জেনারেল সেক্রেটারি নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়।
এ নির্বাচনে শেবাচিমের এমবিবিএস ৫৩–বিডিএস ১১, এমবিবিএস ৫৪–বিডিএস ১২ এবং এমবিবিএস ৫৫–বিডিএস ১৩ ব্যাচের ডিবেটিং ফোরামের সদস্যরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। মোট ৩৬ জন ভোটারের মধ্যে ৩৩টি ভোট কাস্ট হয়।
নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আব্দুস সালাম সুজন ও আসফি অর রায়হান। অপরদিকে জেনারেল সেক্রেটারি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন শুভ মণ্ডল, শিহাব উজ-জামান ও দুর্গা প্রাসাদ সরকার সুদীপ। সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন আসফি অর রায়হান এবং জেনারেল সেক্রেটারি নির্বাচিত হন শিহাব উজ-জামান।
নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংগঠনের উপদেষ্টা ডা. ওহিদা সুলতানা, ডা. এফ আর খান ও ডা. রেফায়েতুল হায়দার।
নবনির্বাচিত সভাপতি আসফি অর রায়হান যুগান্তরকে বলেন, সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া তাঁর জন্য অত্যন্ত সম্মানের। যাঁরা তাঁর ওপর আস্থা রেখেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, এই আস্থার মূল্য রাখতে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। তাঁর লক্ষ্য শেবাচিম ডিবেটিং ফোরামকে আরও শক্তিশালী, সংগঠিত ও সময়োপযোগী একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এগিয়ে নেওয়া।
নবনির্বাচিত জেনারেল সেক্রেটারি শিহাব উজ-জামান বলেন, এই দায়িত্ব তাঁকে গভীর কৃতজ্ঞতা ও দায়িত্ববোধে আবদ্ধ করেছে। সংগঠনের সদস্যদের আস্থার প্রতিদান দিতে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন উল্লেখ করে বলেন, ভবিষ্যতে শেবাচিম ডিবেটিং ফোরামকে আরও শৃঙ্খলাবদ্ধ ও যুক্তিনির্ভর একটি সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি কাজ করবেন।
এদিকে বর্তমান কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি ডা. মাহফুজুর রহমান সাকিন বলেন, এই নির্বাচন শুধু একটি কমিটি গঠনের আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এটি সংগঠনের ঐক্য, দায়িত্ববোধ ও গণতান্ত্রিক চর্চার প্রতিফলন। তিনি বলেন, শেবাচিম ডিবেটিং ফোরাম সবসময় সত্য, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে এগিয়ে এসেছে এবং এ নির্বাচন সেই ধারাবাহিকতাকে আরও শক্তিশালী করবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করায় মডারেটর ও উপদেষ্টাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন তিনি। নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, দিনের শেষে সবাই একই সংগঠনের প্রতিনিধি—মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে বিভাজন নয়—এটাই এই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় অর্জন।






